1. zobairahmed461@gmail.com : Zobair : Zobair Ahammad
  2. Jalalhossen555@gmail.com : Jalal Hossen : Jalal Hossen
  3. khorshed.eco@gmail.com : Khorshed Alom : Khorshed Alom
  4. hossaintnt@live.com : Shah Sumon : Shah Sumon
সোমবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২২, ১২:৩৫ অপরাহ্ন

গ্রামীণ বাংলাদেশ পরিবর্তনে গ্রামের কৃষি

চান্দিনা অনলাইন এক্সপ্লোরার 
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২০
  • ২২৪ বার পড়া হয়েছে 

গ্রামীণ বাংলাদেশ পরিবর্তন হচ্ছে।গত দুই দশক এই পরিবর্তন ব্যাপক ভাবে লক্ষ করা যাচ্ছে বাংলাদেশের গ্রামীণ সমাজ ব্যবস্থার গতিধারায়।গ্রামীণ কাজকর্ম ও পেশাগত কর্মধারায়ও আসছে যৌক্তিক পরিবর্তন। এটাই হলো বর্তমানে গ্রামীণ বাংলাদেশ জীবনধারা।গ্রামীণ কৃষি কাজে নিযুক্ত গ্রামের বিপুল মানুষের আয়ের উৎস গ্রামীণ কৃষি তৈরিকরণের মাধ্যমে গ্রামীণ বাংলাদেশের এই পরিবর্তনের ধারা চলমান থাকবে।গ্রামীণ বেকারত্ব দূরকরণে গ্রামীণ অপ্রাতিষ্ঠানিক সেক্টর অগ্রণীভূমিকা পালন করছে।

বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতি পরিবর্তনের ধারা তাৎপর্যপূর্ণ গঠনের দিকে প্রবাহমান।বাংলাদেশের অর্থনীতির অবদানের দিক দিয়ে কৃষি ক্ষেত্র শিল্প ও সেবা খাতের চেয়ে এগিয়ে আছে।অনেক উন্নত দেশের এই ধরনের পরিবর্তনের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাদের অর্থনীতিতে।তাদের দেশের অর্থনীতিতে কৃষি ব্যতীত অন্যান্য খাতগুলো গুরুত্ব বহন করেছে।

বাংলাদেশের মানব সম্পদের শতকরা ৪০ ভাগ কৃষিকাজে নিয়োজিত রয়েছে, তাদের কৃষি কাজের অবদান ২০১৯ সালের মোট দেশজ উৎপাদনের শতকরা ১৩.৬৫ ভাগ।দেখা যাচ্ছে যে উদ্বৃত্ত শ্রমিক রয়েছে কৃষি খাতে যারা বেকারত্ব ঘোচাতে পারেনি। ম্যানোপেকচারিং খাতের শ্রমিকদের অবদান জাতীয় দেশজ উৎপাদনে শতকরা ৩৫ ভাগ, তা প্রত্যাশিত অবদান নয় তবে তাৎপর্যপূর্ণ।

২০১৬-২০১৭ সালের অর্থ বছরের বাংলাদেশের পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যমতে গ্রামীণ বাংলাদেশে অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে শতকরা ৪৮ ভাগ মানব সম্পদ নিয়োজিত রয়েছে। গ্রামের মানুষ কয়েক প্রকার শারীরিক শ্রম নির্ভর কাজের সাথে যুক্ত যেমন,আত্ম কর্মসংস্থান নির্ভর কুটির শিল্প, হস্তশিল্প, মজুরি নির্ভর শ্রম গ্রামীণ ব্যবসা,সড়ক ও নির্মাণ শ্রমিক ও মেরামতের কাজ ইত্যাদি।

গ্রামীণ বাংলাদেশ পরিবর্তনে কৃষির অবদান বলে শেষ করা যাবে না।আমাদের গ্রামীণ সমাজ ব্যবস্থায় অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে যে শ্রমিক নিয়োজিত আছে দিনে দিনে তাদের সক্ষমতা বাড়ছে এবং তাদের প্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞান দানের পরিধি বৃদ্ধি করতে পারলে তাদের দক্ষতা আরও বৃদ্ধি পাবে।এই বিষয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গ্রামীণ বাংলাদেশ পরিবর্তনে যে ধারা বহমান তা বহাল রাখার জন্য কাজ করে যাবে। এই প্রত্যাশাই দেশবাসীর।

মোঃ খোরশেদ আলম
এম ফিল গবেষক ও পি এ টু পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়,রংপুর।

লেখাটি শেয়ার করুন 

আপনার মতামত লেখুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো খবর 
© All rights reserved © 2020 ChandinaOnlineExplorer.com
Theme Customized BY LatestNews