1. zobairahmed461@gmail.com : Zobair : Zobair Ahammad
  2. Jalalhossen555@gmail.com : Jalal Hossen : Jalal Hossen
  3. khorshed.eco@gmail.com : Khorshed Alom : Khorshed Alom
  4. hossaintnt@live.com : Shah Sumon : Shah Sumon
বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর ২০২১, ১১:০৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনামঃ 
বঙ্গবন্ধু ন্যায্যতার প্রশ্নে কখনো ছাড় দেননি: ড. কলিমউল্লাহ বঙ্গবন্ধু গণমানুষের ভাষা অনুধাবন করতে পারতেন: ড. কলিমউল্লাহ বঙ্গবন্ধু ছিলেন সর্বকালের শ্রেষ্ঠ সংবেদনশীল মানুষ: ড. কলিমউল্লাহ বঙ্গবন্ধু ছিলেন দর্শন অনুরাগী মানুষ : ড. কলিমউল্লাহ জেবিএল বঙ্গবন্ধু পরিষদ কুমিল্লা কমিটির শেখ রাসেল দিবস উদযাপন জনতা ব্যাংক বঙ্গবন্ধু পরিষদ কুমিল্লা কমিটি এসপিও ও পিও কে ফুলেল শুভেচ্ছা চান্দিনায় স্থানীয় নির্বাচনে ভোটের সুষ্ঠ পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে: এম.পি প্রাণ গোপাল দত্ত বঙ্গবন্ধু আজীবন মানবতার জয়গান গেয়েছেন: ড. কলিমউল্লাহ বঙ্গবন্ধু ন্যায্যতায় বিশ্বাসী ছিলেন : ড. কলিমউল্লাহ চান্দিনার কামারখোলা কমিউনিটি লাইব্রেরি পুনঃনির্মাণের উদ্যোগ

সামাজিক রীতিনীতিই আগামী শিশুদের ভবিষ্যৎ

নাদিম খান নাঈম
  • আপডেট সময়: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ২৭২ বার পড়া হয়েছে 
Politics

মানুষ সামাজিক জীব তাই স্বভাবতই সমাজে  বসবাস করে থাকে । পৃথিবীতে প্রতিটা বস্তুই নির্দিষ্ট কোনো কিছুর উপর নির্ভরশীল। তেমনি মানুষও সমাজবদ্ধ ভাবে নির্ভরশীল বলা যায়। শুধু মানুষ নয় প্রত্যেক প্রাণীকে নিদিষ্ট নিয়ম শৃঙ্খলার মধ্যে থাকতে হয়, কেউ সেই নিয়মের অবাধ্য হতে পারে না । যেমন চাইলেও একটি পাখি নীড় ছেড়ে বাহিরে যেতে পারে না, মাছ স্থলে বাস করতে পারে না আর মরূভূমিতে বন-জঙ্গল হয় না। সবই  প্রকৃতির নিয়ম সীমার মধ্যে বাধা। 

মানুষেরাও সামাজিক থাকার জন্য নিজের পারস্পরিকভাবে বিধিবিধান করে নিয়েছে। আর এই বিধিবিধান বিভিন্ন প্রচলিত সমাজ ব্যবস্থায় বিদ্যমানও রয়েছে। সমাজে  যখন কোনো জন্ম গ্রহন করে তখন সে পরিবারেই বেড়ে ওঠে। পরিবার থেকেই শিশুটি ধিরে ধিরে বেড়ে উঠতে থাকে, হাঁটতে শিখে, চলতে শিখে, কথা বলতে শিখে, আদব-কায়দা শিখে এবং মাতৃত্বের বন্ধনে মাতৃদেশের একজন হয়ে ওঠে। এখানে পরিবার প্রাথমিক শিক্ষার প্রতিষ্ঠান। সকল মানষেরই নীতি- নৈতিকতার শিক্ষা পরিবার থেকেই আসে। যখন শিশুটি বড় হয়, তখন পারিবারিক প্রতিষ্ঠান থেকে সামাজিক জীবনে পর্দাপন করে । কারণ সামাজিক শিক্ষা মানুষকে সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বাধিত করে। সচেতন ও সুনাগরিক হিসেবে নিজেকে সামাজিক দায়িত্ববোধে নিয়োজিত রাখে। সামাজিক রীতিনীতি একটি মানুষকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে তোলে যা মাতৃভূমির প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা জোগায়। সমাজ ও দেশের কল্যানে অনেক দেশপ্রেমিক জীবন বির্সজনও দিয়েছেন। কিন্তু সামাজিক শিক্ষার অভাবে একজন শিশু যেভাবে গড়ে উঠতে পারে, তাতে দেশের জন্য অমঙ্গল বয়ে আনতে পারে যা হয়তো আর বুঝিয়ে বলার প্রয়োজন নেই। বর্তমান প্রচলিত সমাজ ব্যবস্থা লক্ষ্য করলেই বোঝা যায়।

সবকিছু দেশের আইন দিয়ে চালানো সম্ভব হয় না  এবং সব কিছুতে আইন প্রয়োগ হয় না। নীতি-নৈতিকতার প্রয়োজন আছে।  মানুষের বিবেক, বুদ্ধি, মেধা, মানবিক মূল্যবোধ দিয়ে চলতে হয় ।  মানুষের বিবেকই পৃথিবীর সর্বোচ্চ বিচারালয়। আর বিবেকর মাধ্যমে প্রকাশিত হয় মানুষের মানবিকতা।  মানবিক দৃষ্টিকোণ দিয়ে সামাজিকতা তৈরি করা যায়। আজকের শিশু যারা আগামী দিনের ভবিষ্যত। তাঁদেরকে সামাজিকতার বাহিরে ঠেলে দিলে জাতির ভবিষ্যৎ অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে যাবে। যে সমস্যা একজন মানবিক এবং সামাজিক রীতিনীতি দিয়ে সমাধান করতে অক্ষম সেই সমস্যা কোনো দিনও দেশের আইন দ্বারা সমাধানে সক্ষম নয়। আর সেই মানবিক এবং সামাজিক রীতিনীতি শিক্ষা জীবনের শুরুতে সমাজের শিশুদের প্রয়োজন। এতে জাতির বিবেকের এবং মানবিক মূল্যবোধের কমতি হবেনা। জাতি গঠনের লক্ষ্যে সামাজিক রীতিনীতি প্রতিটি সমাজ ব্যবস্থায় অনিবার্য।


লেখক
নাদিম খান নাঈম
গনযোগাযোগ ও জনসংযোগ বিষয়ক সম্পাদক,
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ। 

লেখাটি শেয়ার করুন 

আপনার মতামত লেখুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো খবর 
© All rights reserved © 2020 ChandinaOnlineExplorer.com
Theme Customized BY LatestNews