1. zobairahmed461@gmail.com : Zobair : Zobair Ahammad
  2. Jalalhossen555@gmail.com : Jalal Hossen : Jalal Hossen
  3. khorshed.eco@gmail.com : Khorshed Alom : Khorshed Alom
  4. hossaintnt@live.com : Shah Sumon : Shah Sumon
রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:৪৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনামঃ 
কুমিল্লা-৭ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য প্রাণ গোপাল দত্তকে জানিপপ চেয়ারম্যানের অভিনন্দন বঙ্গবন্ধুর পররাষ্ট্রনীতি ছিলো সুপরিকল্পিত : ড. কলিমউল্লাহ বঙ্গবন্ধু ভাষণের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন : ড. কলিমউল্লাহ প্রাণ গোপাল দত্তের মনোনায়ন পত্র বৈধ ঘোষনা/কুমিল্লা নিক চান্দিনায় উপ-নির্বাচন: আ’লীগ, প্রার্থী প্রান গোপালের মনোনয়ন দাখিল বঙ্গবন্ধুর প্রজ্ঞা ও নেতৃত্বের কারণে বিশ্ব নেতায় পরিণত হয়েছিলেন: ড. কলিমউল্লাহ আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে বঙ্গবন্ধু চর্চা করতে হবে: ড. কলিমউল্লাহ শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা ছিলো বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ড. কলিমউল্লাহ বঙ্গবন্ধুর অবদান জাতি চিরদিন স্মরণ রাখবে : ড. কলিমউল্লাহ চান্দিনা উপজেলা আ’লীগসহ সকল অঙ্গ সংগঠনের একক প্রার্থী প্রাণ গোপাল

সামাজিক আইন কেন প্রয়োজন

এম- মহাসিন মিয়া
  • আপডেট সময়: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২০
  • ২৭৮ বার পড়া হয়েছে 
social-law

মানুষ সামাজিক জীব। সমাজবদ্ধ ভাবে বসবাস করাই মানুষের অধিকার। আমরা উদাহরণ দিলে বুঝতে পারি যে, মাছের বসবাস পানিতে, পশু পাখির বসবাস বনে, আবহাওয়ার বসবাস প্রকৃতিকে ঘিরে। পৃথিবীতে প্রতিটা বস্তুই নির্দিষ্ট কোনো কিছুর উপর নির্ভরশীল। তেমনি মানুষকেও আমরা সমাজবদ্ধ ভাবে নির্ভরশীল বলতে পারি। পাখি যখন আকাশে উড়ে, তখন তাঁদের মধ্যে নির্দিষ্ট একটি নীড় থাকে। নীড় বেঁধে চলা পাখিদের একটি আইনের প্রতিক। চাইলেও একটি পাখি নীড় ছেড়ে বাহিরে যেতে পারেন না, আইনের সীমা অতিক্রম হবে বলে। মৌমাছির ক্ষেত্রেও তাই।

তেমনি মানুষেরও সমাজিক জীব হিসেবে নির্দিষ্ট সামাজিক আইন বা নীড় থাকা প্রয়োজন। আর এই আইন বিভিন্ন প্রচলিত সমাজ ব্যবস্থায় বিদ্যমানও রয়েছে। আমরা জানি একজন শিশু যখন জন্ম গ্রহন করে তখন তাঁর পরিবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। ওখান থেকেই শিশুটি ধিরে ধিরে বেড়ে উঠতে থাকে, হাঁটতে শিখে, চলতে শিখে, কথা বলতে শিখে, আদব-কায়দা শিখে এবং মাতৃত্বের বন্ধনে মাতৃদেশের একজন হয়ে ওঠে। সেক্ষেত্রে পরিবারকে আমরা শিশুর প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বলে থাকি।

যখন শিশুটি বড় হয়, তখন পারিবারিক প্রতিষ্টান থেকে ছাড়পত্র নিয়ে সামাজিক জীবনে পর্দাপন করে থাকে। এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যে, শিশুটি কেমন ধরনের সমাজে পা রাখতে যাচ্ছে, সে সমাজ সুশাসিত কিনা, সমাজে সামাজিক আইন আছে কিনা, মানবিক মূল্যবোধ আছে কিনা, সেই সমাজ সচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অন্তর্ভুক্ত কিনা। শিশুটি কি সামাজিক অধিকার পাবে কিনা। এই বিষয় গুলিই হলো একটি শিশু আর সমাজের সারমর্মতা।

কারণ সামাজিক শিক্ষা মানুষকে সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বাধিত করে। সচেতন ও সুনাগরিক হিসেবে নিজেকে সামাজিক দায়িত্ববোধে নিয়োজিত করে। সমাজিক আইন একটি মানুষকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে তোলে। মাতৃভূমির প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা জোগায়। তখনই একজন মানুষ তাঁর সমাজের জন্য কিছু করতে পারে। তখনই সেই মানুষটি নিজেকে দেশের জন্য উদ্ধুদ্ধ করে দেয়। এমনকি সমাজ ও দেশের কল্যানে অনেক দেশপ্রেমিক বির্সজনও হয়েছেন। অন্যথায় সামাজিক আইনের অভাবে একজন শিশু কিভাবে গড়ে উঠতে পারে, দেশের জন্য কতটুকু অমঙ্গল বয়ে আনতে পারে তা হয়তো আর বুঝিয়ে বলার প্রয়োজন নেই। বর্তমান প্রচলিত সমাজ ব্যবস্থা লক্ষ্য করলেই বোঝা যায়।

সব কিছু দেশের আইন দিয়ে চলেনা এবং সব কিছুতে আইন প্রয়োগ হয় না। আপনার বিবেক, বুদ্ধি, মেধা, মানবিক মূল্যবোধ কোথায়। পৃথিবীর সর্বচ্চ বিচারালয়, আইন সভা আপনার বিবেক। বিবেক কে প্রশ্ন করুন আর আইনের কাছে ভীড় জমাতে হবেনা। মানবিক আইন দিয়ে সামাজিকতা তৈরি করুণ। আর সেই সমাজের বর্তমান শিশুদের সামাজিক আইনের বিধিনিষেধ এবং তাঁদের সামাজিক অধিকার নিশ্চিত করুন। তাঁরাই আগামির সমাজ এবং দেশের চালিকাশক্তি।

আজকের শিশু আগামি দিনের ভবিষ্যত। তাঁদেরকে সামাজিকতার বাইরে ঠেলে দিবেন না। অন্যথায় জাতি অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে যাবে। যে সমস্যা আপনি মানবিক এবং সামাজিক আইন দিয়ে সমাধান করতে অক্ষম সেই সমস্যা কোনো দিনও দেশের আইন দ্বারা সক্ষম নয়। আর সেই মানবিক এবং সামাজিক আইনের শিক্ষা বর্তমান সমাজের শিশুদের দিন। জাতির বিবেকের এবং মানবিক মূল্যবোধের কমতি হবেনা। জাতি গঠনের লক্ষ্যে সামাজিক আইন প্রতিটি সমাজ ব্যবস্থায় অনিবার্য।

লেখাটি শেয়ার করুন 

আপনার মতামত লেখুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো খবর 
© All rights reserved © 2020 ChandinaOnlineExplorer.com
Theme Customized BY LatestNews