1. zobairahmed461@gmail.com : Zobair : Zobair Ahammad
  2. Jalalhossen555@gmail.com : Jalal Hossen : Jalal Hossen
  3. khorshed.eco@gmail.com : Khorshed Alom : Khorshed Alom
  4. hossaintnt@live.com : Shah Sumon : Shah Sumon
সোমবার, ০১ মার্চ ২০২১, ০৫:১১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনামঃ 
চান্দিনার মাধাইয়া বীরপ্রতীক কর্ণেল মোহাম্মদ সফিকউল্লাহ এর নামে সড়কের নামফলক ভাঙ্গচুর কামারখোলা ফ্রেন্ডস এন্ড ফ্যামিলি নেটওয়ার্কিং এর ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা সুশীল মুসলমান ভাই-বোনদের জন্য চিন্তার খুড়াক! কওমি শিক্ষক দ্বারা আবার ছাত্র বলাৎকারের ঘটনা ঘটেছে লক্ষীপুর মাত্র ৮ মাসে কুরানের হাফেয: বিস্ময় বালক আরিফ উদ্দিন আরাফ নাস্তিক ও ইসলাম বিদ্বেষীরা কিভাবে মানুষকে ধোকায় ফেলে কুমিল্লা পুলিশ সুপারের দিকনির্দেশনায় ২৪ ঘন্টার মধ্যে আসামী গ্রেপ্তার বিশ্বকে আবারো তাক লাগিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের কৃষি বিজ্ঞানীরা বাংলাদেশী নাগরিকদের উপর জারিকৃত ভিসা নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলো দক্ষিণ কোরিয়া মাটি ব্যবসায়ীদের অবৈধ ট্রলি বাহী ট্রাকের জ্বালায় অতিষ্ঠ ভোমরকান্দি বাসী

নিবিড় নিবাস

ইসতিহাদ
  • আপডেট সময়: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২০
  • ৯১ বার পড়া হয়েছে 

ঘরটা দেখলেই মনে হয় আশ্রমে থাকা কোন বিবাগীর ঘরে ঢুকে পড়েছি। একটা খাট আর মাঝারি আকারের একটা টেবিল। খাটে সাদা রঙের বিছানা-চাদর, টেবিলের একপাশে একটা বিষাদ সিন্ধু রাখা। এই হলো আমার ঘরের আসবাবপত্র।

চেয়ারই যখন নেই তখন এই টেবিল কীসের পড়াশোনার কাজে আসবে কে জানে। বইটা সম্ভবত আগের বাসিন্দার ফেলে যাওয়া।

এই পরিবেশের সাথে মানানসই হতো ঘরে কোন লাইট-ফ্যান না থাকলে।

লাইট নেই, তবে আশ্চর্যের ব্যাপার ছাদ থেকে একটা ফ্যান ঝুলছে।

দেখে মনে হয় পাকিস্তান আমলের ফ্যান। আরো অদ্ভুত ব্যাপার ঘরে কোন সুইচ নেই।

ফ্যানটা তাহলে চলবে কীভাবে। জিয়া সাহেবকে একবার ডেকে এনে দেখালে হয়।

তবে ভদ্রলোকের ভাব-গতিক কেমন যেন পাগলাটে ধরনের। নিজের ঘরে ডেকে আনতে কেন যেন মনে সায় দিচ্ছে না।

যাই হোক সেটা পরের ব্যাপার। তবে ঘরটায় বাতাস আছে এটা স্বীকার করতেই হবে। এইটুকু একটা ঘরে তিন তিনটা জানালা।একটায় আবার গ্রিল নেই।

এই জানালাটা দিয়ে তাকালে দেয়ালের ওপাশের স্কুল মাঠটা দেখা যায়। সকাল থেকে দেখে যাচ্ছি ইউনিফর্ম পড়া বাচ্চারা মাঠে খেলে যাচ্ছে।

এদের কি ক্লাস করতে হয় না নাকি! প্রতিদিন এরকম হলে অবশ্য ভালই হবে। জিয়া সাহেবের মত মানুষদের সাথে সময় কাটানোর চেয়ে বাচ্চাদের ছুটোছুটি দেখা অনেক ভাল।

 

দীর্ঘশ্বাস চেপে বিছানায় এসে বসলাম। এরকম ঘরে বেশিদিন থাকলে নিশ্চিত নিজের মাঝে একটা সন্ন্যাসী সন্ন্যাসী ভাব এসে যাবে। তখন মাছ মাংস ছেড়ে তিন বেলা ফল-মূল খেয়ে দিন কাটানো শুরু করব। যত্তসব!

এই ঘরটা বিল্ডিংএর একদম এক কোণে। দরজার সামনে লম্বা করিডোর। এরপর ডাইনিং রুম। বিল্ডিংয়ের অন্য ঘরগুলো অবশ্য এরকম না।

বাকি সবগুলো ঘরই বড়সড়। একসাথে তিন – চার জন থাকে। ঘরে আলমারি, টেবিল- চেয়ার সবই আছে। লাইট ফ্যানগুলোও নতুন বলা চলে।

একটা ঘরে দেখলাম টিভি আর এটাচড বাথরুম পর্যন্ত আছে। আর আমার কপালে পড়েছে এই সন্ন্যাসী মার্কা ঘর। অবশ্য কপালে পড়েছে নাকি কম ভাড়া বলে আমাকে এটায় এনে ফেলে গেছে কে জানে।

সারাজীবন নিজের বাড়িতে স্ত্রী সন্তান নিয়ে থেকেছি। এখন কি এই একাকী জীবন সহ্য হবে। ও বেঁচে থাকলে তাও এতটা নিঃসঙ্গ লাগতো না। কী আর করা যাবে। এই ” নিবিড় নিবাস” বৃদ্ধাশ্রমে এসে যখন উঠেছি তখন সবকিছুর সাথে তো মানিয়ে নিতেই হবে।

 

লেখক

ইসতিহাদ ভূঁইয়া

 

লেখাটি শেয়ার করুন 

আপনার মতামত লেখুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো খবর 
© All rights reserved © 2020 ChandinaOnlineExplorer.com
Theme Customized BY LatestNews