1. zobairahmed461@gmail.com : Zobair : Zobair Ahammad
  2. Jalalhossen555@gmail.com : Jalal Hossen : Jalal Hossen
  3. khorshed.eco@gmail.com : Khorshed Alom : Khorshed Alom
  4. hossaintnt@live.com : Shah Sumon : Shah Sumon
শনিবার, ০৬ মার্চ ২০২১, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনামঃ 
চান্দিনার মাধাইয়া বীরপ্রতীক কর্ণেল মোহাম্মদ সফিকউল্লাহ এর নামে সড়কের নামফলক ভাঙ্গচুর কামারখোলা ফ্রেন্ডস এন্ড ফ্যামিলি নেটওয়ার্কিং এর ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা সুশীল মুসলমান ভাই-বোনদের জন্য চিন্তার খুড়াক! কওমি শিক্ষক দ্বারা আবার ছাত্র বলাৎকারের ঘটনা ঘটেছে লক্ষীপুর মাত্র ৮ মাসে কুরানের হাফেয: বিস্ময় বালক আরিফ উদ্দিন আরাফ নাস্তিক ও ইসলাম বিদ্বেষীরা কিভাবে মানুষকে ধোকায় ফেলে কুমিল্লা পুলিশ সুপারের দিকনির্দেশনায় ২৪ ঘন্টার মধ্যে আসামী গ্রেপ্তার বিশ্বকে আবারো তাক লাগিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের কৃষি বিজ্ঞানীরা বাংলাদেশী নাগরিকদের উপর জারিকৃত ভিসা নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলো দক্ষিণ কোরিয়া মাটি ব্যবসায়ীদের অবৈধ ট্রলি বাহী ট্রাকের জ্বালায় অতিষ্ঠ ভোমরকান্দি বাসী

“বেরোবি,রংপুর এর উন্নয়নে বর্তমান ভিসির অবদান “

চান্দিনা অনলাইন এক্সপ্লোরার 
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২০
  • ১৩৪ বার পড়া হয়েছে 

প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও স্যার একজন বহুমুখী ব্যক্তিত্ব। তবে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এর মাননীয় উপাচার্য হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ সবার হৃদয়ে প্রিয় মানুষ হিসেবে এক বিশেষ জায়গা করে নেন। কিভাবে তিনি সবার কাছে প্রিয় হয়ে উঠলেন সেসব আলোচনা করতে গেলে আমাদের পূর্বের কয়েক বছর পেছনে ফিরে যেতে হবে। রংপুর জনপদ তথা উত্তরবঙ্গের মানুষের স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবে ২০০৮ সালের ১২ অক্টোবর সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ নয় বছর পর ২০১৭ সালে ১৪ জুন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এর উপাচার্য হিসেবে প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও স্যার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

তিনি যে সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেন তখন পূর্বকালীন প্রশাসকগণের বিভিন্ন রকম দূর্নীতির কারণে বিশ্ববিদ্যালয়টি বার বার আলোচিত হয়ে আসছিল। সেইসব বিষয় আমার আলোচনার উদ্দেশ্য নয় প্রথমেই বলেছি কিভাবে তিনি সবার কাছে প্রিয় মানুষে পরিণত হলেন সেটাই আমার মূল বিষয়। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-কে আধুনিক, ডিজিটাল ও উন্নতমানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করতে অনেক ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেন এবং এর জন্য নিরলসভাবে নিজেকে নিবেদিত করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ হল স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া। বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ সংক্রান্ত বাণিজ্যের দুর্নাম ঘুঁচিয়ে দিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী সহ সবার লিখিত, মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে দক্ষতা ও মেধার উপর ভিত্তি করে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। নিয়োগ দেয়ার পর শিক্ষক ও কর্মকর্তার ছয় মাসের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ এবং কর্মচারীর জন্য দুই মাসের ইন্ডাকশন প্রশিক্ষণ এর ব্যবস্থা করেন যা বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে বিরল ইতিহাস।

এই প্রশিক্ষণের কারণে নব্য নিয়োগ প্রাপ্তগণ কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের আগেই পেশাদারি আচরণ থেকে শুরু করে নিজেদের অত্যন্ত দক্ষ ও কর্মক্ষম করে নিজের দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট হন। এই বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চালু করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে এবং সবার কাছে সম্মানের সাথে সমাদৃত হচ্ছে। স্যার এর এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসার দাবী রাখে। বিশ্ববিদ্যালয়কে গবেষণার তীর্থকেন্দ্র মনে করে ড. ওয়াজেদ রিসার্চ এন্ড ট্রেইনিং ইন্সটিটিউট সুগঠিত করে আন্তর্জাতিক সেমিনার ও বিভিন্ন প্রকাশনার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ভাবে পরিচিত করে তুলেছেন। এরপাশাপাশি স্যার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রযুক্তিগত ও অবকাঠামোর জন্য আরো অনেক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। পুরো বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি নির্দিষ্ট ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে আসা হয়।

ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের অ্যাডমিশন ফি সহ যাবতীয় ফি অটোমেটিক বিল প্রসেস সিস্টেম এর মাধ্যমে পরিশোধ ও তথ্য গ্রহণ করতে পারেন। প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়ে ও ভার্চুয়াল ক্লাস রুম না থাকলেও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরে বহু আগেই ছাত্র-ছাত্রীরা এ ব্যাপারে অভ্যস্থ হয়েছে। স্যার ‘ক্যাম্পাস রেডিও’ নামে একটি রেডিও স্টেশন চালু করেন যা বাংলাদেশের ইতিহাসে এটিই প্রথম কোন বিশ্ববিদ্যলয়ে প্রশাসনিক সহযোগিতায় স্থাপন করা হয়েছে। এডুকেশন অটোমেশন সিস্টেম এর মাধ্যমে দ্রুত ফলাফল এর কারণে অধিকাংশ বিভাগে সেশন জট নেই বললেই চলে। এছাড়াও ফাইল ট্র্যাকিং, ভেইকল ট্র্যাকিং, স্টোর ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার, ডাটা সেন্টার, ইস্টাব্লিশমেন্ট সফটওয়্যার, ডাটা সেন্টার এর মতো কিছু গুরত্বপূর্ণ প্রযুক্তি স্থাপন ও ব্যবহার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজের গতি দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও স্যার উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর বাহ্যিক সৌন্দর্যের আমূল পরিবর্তন ঘটে। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর- এর সৌন্দর্য বর্ধণের লক্ষ্যে বৃক্ষরাজি রোপণ ও পরিচর্যার জন্য বৃক্ষায়ণ ও সৌন্দর্য বর্ধণ কমিটি গঠন করে দেন। এখন বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ মনোমুগ্ধকর পরিষ্কার ও ফুলের সমারোহে আচ্ছন্ন।

মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও স্যার এই করোনা মহামারির সময়ও নিজের এবং পরিবারের কথা চিন্তা না করে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের বহুদিনের দাবী ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সেটিরও কাজ শুরু হয়েছে। যার কারণে শিক্ষার্থীদের মনে স্যার বিশেষ জায়গা করে নিয়েছেন।

প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও স্যার এমন একজন মানুষ যার কাছে ধনী গরীব, কর্মকর্তা কর্মচারী সবাই তার কাছে সমান ভাবে প্রাধান্য পেয়ে থাকে। আমি মনে করি স্যার বিশ্ববিদ্যালয় কে নিয়ে যে স্বপ্ন দেখেন সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সবার একসাথে কাজ করা প্রয়োজন। স্যার এর এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি অবদানের কয়েকটি দিক মাত্র তুলে ধরার চেষ্টা করেছি, কারন সকল দিক লিখে প্রকাশ করা সম্ভব নয়।

যার ফলে স্যার সবার কাছে এক প্রিয় নাম। স্যার এর নেতৃত্বে নিশ্চয়ই আমরা বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-কে বাংলাদেশের তথা বিশ্বের একটি আধুনিক এবং নেতৃত্বদানকারী বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে দেখতে পারব। স্যার এর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।

 

শাহ্ নেওয়াজ কবির

ফটোগ্রাফার,

জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা বিভাগ,

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর।

লেখাটি শেয়ার করুন 

আপনার মতামত লেখুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো খবর 
© All rights reserved © 2020 ChandinaOnlineExplorer.com
Theme Customized BY LatestNews