1. zobairahmed461@gmail.com : Zobair : Zobair Ahammad
  2. Jalalhossen555@gmail.com : Jalal Hossen : Jalal Hossen
  3. khorshed.eco@gmail.com : Khorshed Alom : Khorshed Alom
  4. hossaintnt@live.com : Shah Sumon : Shah Sumon
বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ০১:২৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনামঃ 
বঙ্গবন্ধু ছিলেন সর্বকালের শ্রেষ্ঠ সংবেদনশীল মানুষ: ড. কলিমউল্লাহ বঙ্গবন্ধু ছিলেন দর্শন অনুরাগী মানুষ : ড. কলিমউল্লাহ জেবিএল বঙ্গবন্ধু পরিষদ কুমিল্লা কমিটির শেখ রাসেল দিবস উদযাপন জনতা ব্যাংক বঙ্গবন্ধু পরিষদ কুমিল্লা কমিটি এসপিও ও পিও কে ফুলেল শুভেচ্ছা চান্দিনায় স্থানীয় নির্বাচনে ভোটের সুষ্ঠ পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে: এম.পি প্রাণ গোপাল দত্ত বঙ্গবন্ধু আজীবন মানবতার জয়গান গেয়েছেন: ড. কলিমউল্লাহ বঙ্গবন্ধু ন্যায্যতায় বিশ্বাসী ছিলেন : ড. কলিমউল্লাহ চান্দিনার কামারখোলা কমিউনিটি লাইব্রেরি পুনঃনির্মাণের উদ্যোগ চান্দিনা কামারখোলার সুজাত আলী মাষ্টারের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী বঙ্গবন্ধু তাঁর লক্ষ্যে বরাবর অবিচল ছিলেন: ড. কলিমউল্লাহ

বেরোবি, রংপুর এর স্বপ্নদ্রষ্টা প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও স্যার

চান্দিনা অনলাইন এক্সপ্লোরার ডেস্ক
  • আপডেট সময়: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২০
  • ২১৬ বার পড়া হয়েছে 

২০১৭ সালের ১৪ই জুন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর এর চতুর্থ ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও স্যার এর যোগদানের পর থেকেই প্রতিনিয়ত তিনি রেখেছেন দায়িত্বশীলতা, একাগ্রতা ও সততার স্বাক্ষর। দেশ ও দেশের মানুষের কাছে এবং বিশ্ব দরবারে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর পরিচিতি পেয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়টির ভাবমূর্তি উন্নত হয়েছে এবং উন্নয়নের ধারা আরও গতিশীল হয়েছে উনার দূরদর্শী ও বিচক্ষণ দিক-নির্দেশনায়। বর্তমান উপাচার্য স্যার দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিন থেকেই জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের ফলে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনিয়ম ও দুর্নীতি কমতে শুরু করে।

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ বাণিজ্যের দুর্নাম সম্পূর্ণভাবে মুছে ফেলে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করেন। তিনি বিশ্বাস করেন প্রশিক্ষণের মাধ্যমেই দক্ষ কর্মশক্তি তৈরি হয় এবং দক্ষ কর্মশক্তিই পারে বিশ্ববিদ্যালয়ে গতিশীলতা আনতে। সে জন্য তিনি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নতুন যোগদানকারী শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন যা বর্তমানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুকরণীয় মডেল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বাংলাদেশ সরকারের নেয়া ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণের অংশ হিসেবে তিনি বেরোবি, রংপুর এ দক্ষ আইসিটি-সেল প্রতিষ্ঠা করেন।

বেরোবি, রংপুর কে ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে রূপান্তরিত করতে অসংখ্য পদক্ষেপ নিয়েছেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল সম্পূর্ণ ক্যাম্পাসকে একটি নিদিষ্ট নেটওয়ার্ক এর আওতায় নিয়ে আসা। বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য সম্পূর্ণ ক্যাম্পাসে ওয়াই-ফাই এর ব্যবস্থা করেন। ছাত্র-ছাত্রীদের যাবতীয় বিল (যেমন ভর্তি ফি, ফর্ম ফিল-আপ ফি) পরিশোধের ঝামেলা থেকে মুক্তির জন্য অটোমেটিক বিল প্রসেস সিস্টেম চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেন। যার ফলে ছাত্র-ছাত্রীরা ব্যাংকে গিয়ে শুধুমাত্র নিজেদের আইডি বলে তার বিলের পরিমাণ জানতে পারবেন এবং পরিশোধ করতে পারবেন।

বর্তমানে ২০১৯-২০২০ সেশনের ছাত্র ছাত্রীরা তাঁদের যাবতীয় বিল অটোমেটিক বিল প্রসেস এর মাধ্যমে পরিশোধ করেন। এছাড়াও ছাত্র-ছাত্রীদের ফলাফল দ্রুত প্রকাশের জন্য এডুকেশন অটোমেশন সিস্টেম সফটওয়্যারটি চলমান আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজের গতিশীলতার জন্য অসংখ্য পদক্ষেপ নিয়েছেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ফাইল ট্র্যাকিং, স্টোর ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার, Establishment সফটওয়্যার, ভেইকেল ট্রাকিং এবং নিজস্ব ডাটা সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ ইত্যাদি।

ক্যাম্পাসের সার্বিক অবকাঠামো সংস্কারের ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে, যেমন শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি আধুনিক মানের একটি প্রধান ফটক স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ, বিভিন্ন সংযোগ সড়কের সংস্কার, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে নতুন নতুন যানবাহন ক্রয়, ক্যাম্পাসের সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্যোগ গ্রহণ, আধুনিক মানের গ্যারেজ স্থাপনের পদক্ষেপ গ্রহণ, আনসার ক্যাম্প স্থাপন ইত্যাদি।

প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও একজন দক্ষ প্রশাসক। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রশাসনের নানান বিশৃঙ্খলা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে নিরসন করে চলেছেন। তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করবার আগে থেকে চলমান নানা বিশৃঙ্খলাকে যেমন লাগাম টেনে ধরতে পেরেছেন তেমনি সাহসী ভূমিকাও রেখেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীদের নীতিমালা প্রণয়নের দাবিতে কর্মচারীদের যে দীর্ঘদিনের আন্দোলন চলছিল অত্যন্ত দক্ষতার সাথে তিনি বিদ্যমান সমস্যার সমাধান করেন। কর্মকর্তা কর্মচারীদের চুয়াল্লিশ মাসের বকেয়া বেতন-ভাতাদি নিয়ে চলতে থাকা সমস্যার সমাধান করে তিনি সকলের কাছেই শ্রদ্ধার আসনে আসীন হয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী সবার জন্যই তিনি এক শান্তির দূত। তাঁর দক্ষ পরিচালনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কর্মকাণ্ড অত্যন্ত সুষ্ঠুভাবে চলছে। স্যারের সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

 

(লেখক পরিচিতিঃ মোঃ মেরাজ আলী

সহকারী নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার,

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়,রংপুর।

লেখাটি শেয়ার করুন 

আপনার মতামত লেখুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো খবর 
© All rights reserved © 2020 ChandinaOnlineExplorer.com
Theme Customized BY LatestNews