1. zobairahmed461@gmail.com : Zobair : Zobair Ahammad
  2. Jalalhossen555@gmail.com : Jalal Hossen : Jalal Hossen
  3. khorshed.eco@gmail.com : Khorshed Alom : Khorshed Alom
  4. hossaintnt@live.com : Shah Sumon : Shah Sumon
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনামঃ 
বঙ্গবন্ধু ন্যায্যতার প্রশ্নে কখনো ছাড় দেননি: ড. কলিমউল্লাহ বঙ্গবন্ধু গণমানুষের ভাষা অনুধাবন করতে পারতেন: ড. কলিমউল্লাহ বঙ্গবন্ধু ছিলেন সর্বকালের শ্রেষ্ঠ সংবেদনশীল মানুষ: ড. কলিমউল্লাহ বঙ্গবন্ধু ছিলেন দর্শন অনুরাগী মানুষ : ড. কলিমউল্লাহ জেবিএল বঙ্গবন্ধু পরিষদ কুমিল্লা কমিটির শেখ রাসেল দিবস উদযাপন জনতা ব্যাংক বঙ্গবন্ধু পরিষদ কুমিল্লা কমিটি এসপিও ও পিও কে ফুলেল শুভেচ্ছা চান্দিনায় স্থানীয় নির্বাচনে ভোটের সুষ্ঠ পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে: এম.পি প্রাণ গোপাল দত্ত বঙ্গবন্ধু আজীবন মানবতার জয়গান গেয়েছেন: ড. কলিমউল্লাহ বঙ্গবন্ধু ন্যায্যতায় বিশ্বাসী ছিলেন : ড. কলিমউল্লাহ চান্দিনার কামারখোলা কমিউনিটি লাইব্রেরি পুনঃনির্মাণের উদ্যোগ

ইস্রায়েল একটি ঐতিহাসিক মসজিদকে মদের বার ও পার্টি হল হিসেবে রূপান্তরিত করেছে।

Shah Sumon
  • আপডেট সময়: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২০
  • ২৪২ বার পড়া হয়েছে 
Israel-converts-historical-mosque-into-a-bar-and-events-hallunnamed-14
Photo Source: Middle east Monitor

সাফেদের ইস্রায়েলি পৌরসভা আল-আহমার মসজিদকে একটি বার ও ইভেন্ট হল করে তুলেছে।

যেটি আরব শহরের একটি অন্যতম ও ঐতিহাসিক মসজিদ হিসেবে ছিল। মসজিদটি ইহুদি উগ্রবাদীরা দখযে নিয়ে নেয় ১৯৪৮ সালে।

প্রথমে এটিকে একটি স্কুল হিসেবে রূপান্তরিত করা হয়। এরপর একটি মধ্যবর্তীনির্বাচন প্রচারণার স্থান, এর পর এটিকে কাপড়ের গুদাম হিসেবে রূপান্তরিত করে। সর্বশেষ এটিকে একটি পার্টি ক্লাব বা নাইট ক্লাব হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

 

লন্ডনের একটি শীর্ষস্থানীয় নিউজ পেপার বলেছে, ইজরায়েলি পৌরসভা মসজিদটিকে বার ও বিবাহ অনুষ্ঠানের জন্য পার্টি সেন্টার হিসেবে ঘোষণা করে।

এর নাম পরিবর্তন করে আল-আহমার মসজিদ থেকে খান আল-আহমর করা হয়েছিল।

খাইর তাবারী, সফেদ এবং তাবারী ইসলামিক ভিত্তিস্থান এর মহাসচিব বলেছেন, আমরা কোর্টে অভিযোগ করেছি এটিকে পুনরায় মসজিদ রূপে ফিরিয়ে দিতে। আপাতত আমরা কোর্টের রায়ের অপেক্ষায় আছি।

তিনি বলেছিলেন যে তিনি মসজিদের ইসলামিক মালিকানা প্রমাণের জন্য দলিল সংযুক্ত করেছেন।

তিনি মসজিদকে লঙ্ঘন থেকে বাঁচাতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও জনপ্রিয় সংস্থার সাথে সহযোগিতা বাড়াতে আহ্বান জানিয়েছেন।

সফেদ ছিল ১২০০০ পিলিস্থিনি মুসলিমদের বসবাসের স্থান। যাদেরকে ১৯৪৮ সালে জোরপূর্বক ভাবে তাদের বাড়িঘির ছাড়তে বাধ্য করেছে ইহুদি দখলদার রা। জানা যায় ঐসময় অনেক মুসলমানদের উপর অত্যাচার করেছে ইহুদি দখলদার রা। এবং হত্যা করেছে শতশত মুসলিমদের।

তাবারী বলেছেন, মসজিদটি এখন যেকোনো কাজের জন্য খোলা আছে শুধু মুসলিমদের নামাজ ব্যাতিত। যদি কোনো মুসলিম নামাজের জন্য যায় তাদেরকে জোরপূর্বক বের করে দেওয়া হয়।

তিনি আরো বলেন শুধু মসজিদে আল-অহরামই নয়। পিলিস্তিনের প্রায় স্থানেই প্রতিদিন কোননা কোনো মসজিদ রূপান্তরিত হচ্ছে ইহুদিদের হারাম কাজের ব্যবহারের জন্য।

প্রতিদিনই কোনো না কোনো মুসলিম পরিবারকে করা হচ্ছে ঘরবাড়িছাড়া। সশস্র ইস্রাইলি সেনাদের সামনে মুখবুজে মার্ খাওয়া ছাড়া আর কিছুই করার নেই অসহায় পিলিস্তিনি মুসলিমদের।
অত্যাচারিত হচ্ছে হাজার হাজার পিলিস্তিনি শিশু। যাদের বয়স ৭ – ১২ বছর।
কোনো পরিবার যদি বাড়িঘর ছাড়তে না চায় , ইহুদি সেনারা তাদের বাচ্চাদেরকে গুম করে নিয়ে যায়। কেউ রাজি না হলে শিশুদের হত্যা করা হয়। কারো কারো চোখ তুলে নেওয়া হয়। কারো কারো কিডনী খুলে নেওয়া হয়।

এমন অত্যাচার সহ্য সহ্য করেই দিনের পর দিন অতিবাহিত করছে পিলিস্তিনি মুসলিম রা।

 

Source: মিডল ইস্ট মনিটর।

লেখাটি শেয়ার করুন 

আপনার মতামত লেখুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো খবর 
© All rights reserved © 2020 ChandinaOnlineExplorer.com
Theme Customized BY LatestNews