1. zobairahmed461@gmail.com : Zobair : Zobair Ahammad
  2. Jalalhossen555@gmail.com : Jalal Hossen : Jalal Hossen
  3. khorshed.eco@gmail.com : Khorshed Alom : Khorshed Alom
  4. hossaintnt@live.com : Shah Sumon : Shah Sumon
শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:১৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনামঃ 
কুমিল্লা-৭ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য প্রাণ গোপাল দত্তকে জানিপপ চেয়ারম্যানের অভিনন্দন বঙ্গবন্ধুর পররাষ্ট্রনীতি ছিলো সুপরিকল্পিত : ড. কলিমউল্লাহ বঙ্গবন্ধু ভাষণের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন : ড. কলিমউল্লাহ প্রাণ গোপাল দত্তের মনোনায়ন পত্র বৈধ ঘোষনা/কুমিল্লা নিক চান্দিনায় উপ-নির্বাচন: আ’লীগ, প্রার্থী প্রান গোপালের মনোনয়ন দাখিল বঙ্গবন্ধুর প্রজ্ঞা ও নেতৃত্বের কারণে বিশ্ব নেতায় পরিণত হয়েছিলেন: ড. কলিমউল্লাহ আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে বঙ্গবন্ধু চর্চা করতে হবে: ড. কলিমউল্লাহ শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা ছিলো বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ড. কলিমউল্লাহ বঙ্গবন্ধুর অবদান জাতি চিরদিন স্মরণ রাখবে : ড. কলিমউল্লাহ চান্দিনা উপজেলা আ’লীগসহ সকল অঙ্গ সংগঠনের একক প্রার্থী প্রাণ গোপাল

তবে কী কক্সবাজারে পুলিশের একক আধিপত্য ‌কমতে যাচ্ছে?

Shah Sumon
  • আপডেট সময়: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২০
  • ১৯৯ বার পড়া হয়েছে 
Photo Source: Bangladesh Military Affairs
কক্সবাজারের সেনাবাহিনী-পুলিশের যৌথ টহলের সিদ্ধান্ত । তবে কী কক্সবাজারে পুলিশের একক আধিপত্য ‌কমতে যাচ্ছে?
কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভে পুলিশের গুলিতে সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা নিহতের প্রেক্ষাপটে সেখানে পুলিশ এবং সেনা সদস্যদের সমন্বয়ে যৌথ টহল পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। কিন্তু সেটা কীভাবে পরিচালিত হবে তা পরিষ্কার নয়।কক্সবাজারের কতটুকু এলাকায় যৌথ টহল হবে সে সম্পর্কেও কোন ধারণা দিতে পারছেন না মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
যৌথ টহলের বিষয়ে বৃহস্পতিবার আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর বা আইএসপিআর’র এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।আইএসপিআর-এর বিবৃতিতে বলা হয়েছে,(BMA) আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে এবং এলাকার মানুষের মাঝে ‘আস্থা ফিরিয়ে আনতে’ সে এলাকায় যৌথ টহল পরিচালনা করা হবে।
বাংলাদেশে অতীতে বিভিন্ন সময় অভিযান পরিচালনার সময় ‘যৌথ বাহিনীর’ ব্যানারে কাজ করা হয়েছে।পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাড়া বাংলাদেশের অন্য এলাকায় স্বাভাবিক সময়ে সেনাবাহিনী এবং পুলিশের সমন্বয়ে যৌথ টহল দেখা যায়নি।তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, কক্সবাজারে কেন যৌথ টহলের প্রয়োজন হচ্ছে?পুলিশের রাশ টেনে ধরা?বিভিন্ন কারণে গত কয়েক বছরে কক্সবাজার বাংলাদেশের জন্য একটি স্পর্শকাতর এলাকা হয়ে উঠেছে।মাদক এবং মানবপাচারের রুট এবং রোহিঙ্গা সংকটের কারণে কক্সবাজার এলাকা নিয়ে বাংলাদেশের সরকারের দুশ্চিন্তাও বেড়েছে।
গত দুই বছরে কক্সবাজার এলাকায় মাদক নির্মূল অভিযানে তথাকথিত ক্রসফায়ারের নামে বহু হত্যাকাণ্ড হয়েছে সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই-এর রিপোর্টে বলা হয়েছে।গণমাধ্যমে ফাঁস হওয়া ডিজিএফআই’র সে রিপোর্ট দেখা যায়, পুলিশের প্রতি এক ধরণের ক্ষোভ রয়েছে।এমন অবস্থায় সেনা কর্মকর্তাদের অনেকেই মনে করেন, পুলিশ যাতে একচ্ছত্রভাবে সবকিছু করতে না পারে সেজন্য সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ টহলের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।বছর তিনেক আগে রোহিঙ্গা সংকট শুরুর পর থেকে কক্সবাজার এলাকায় সামরিক বাহিনীর তৎপরতা বেড়েছে।
রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলার জন্য সরকার সেখানে সেনাবাহিনী মোতায়েন করেছে।জেনারেল মইনুল বলেন, “আসলে এখানে সহজ উপায়ে অর্থ উপার্জনের জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সকলেই এখন চাচ্ছে যে এই বাহিনীটাকে জবাবদিহিতার মধ্যে এনে আরেকটু সুশৃঙ্খল বানানোর জন্য।”
তথ্য সূত্র :বিবিসি বাংলা

লেখাটি শেয়ার করুন 

আপনার মতামত লেখুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো খবর 
© All rights reserved © 2020 ChandinaOnlineExplorer.com
Theme Customized BY LatestNews