1. zobairahmed461@gmail.com : Zobair : Zobair Ahammad
  2. Jalalhossen555@gmail.com : Jalal Hossen : Jalal Hossen
  3. khorshed.eco@gmail.com : Khorshed Alom : Khorshed Alom
  4. hossaintnt@live.com : Shah Sumon : Shah Sumon
সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ০৮:২৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনামঃ 
চান্দিনার কামারখোলা কমিউনিটি কমপ্লেক্স মসজিদ সংলগ্ন পুকুর ভরাটের নীতিগত সিদ্ধান্ত চান্দিনার মাধাইয়া বীরপ্রতীক কর্ণেল মোহাম্মদ সফিকউল্লাহ এর নামে সড়কের নামফলক ভাঙ্গচুর কামারখোলা ফ্রেন্ডস এন্ড ফ্যামিলি নেটওয়ার্কিং এর ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা সুশীল মুসলমান ভাই-বোনদের জন্য চিন্তার খুড়াক! কওমি শিক্ষক দ্বারা আবার ছাত্র বলাৎকারের ঘটনা ঘটেছে লক্ষীপুর মাত্র ৮ মাসে কুরানের হাফেয: বিস্ময় বালক আরিফ উদ্দিন আরাফ নাস্তিক ও ইসলাম বিদ্বেষীরা কিভাবে মানুষকে ধোকায় ফেলে কুমিল্লা পুলিশ সুপারের দিকনির্দেশনায় ২৪ ঘন্টার মধ্যে আসামী গ্রেপ্তার বিশ্বকে আবারো তাক লাগিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের কৃষি বিজ্ঞানীরা বাংলাদেশী নাগরিকদের উপর জারিকৃত ভিসা নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলো দক্ষিণ কোরিয়া

তবে কী কক্সবাজারে পুলিশের একক আধিপত্য ‌কমতে যাচ্ছে?

Shah Sumon
  • আপডেট সময়: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২০
  • ১১৪ বার পড়া হয়েছে 
Photo Source: Bangladesh Military Affairs
কক্সবাজারের সেনাবাহিনী-পুলিশের যৌথ টহলের সিদ্ধান্ত । তবে কী কক্সবাজারে পুলিশের একক আধিপত্য ‌কমতে যাচ্ছে?
কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভে পুলিশের গুলিতে সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা নিহতের প্রেক্ষাপটে সেখানে পুলিশ এবং সেনা সদস্যদের সমন্বয়ে যৌথ টহল পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। কিন্তু সেটা কীভাবে পরিচালিত হবে তা পরিষ্কার নয়।কক্সবাজারের কতটুকু এলাকায় যৌথ টহল হবে সে সম্পর্কেও কোন ধারণা দিতে পারছেন না মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
যৌথ টহলের বিষয়ে বৃহস্পতিবার আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর বা আইএসপিআর’র এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।আইএসপিআর-এর বিবৃতিতে বলা হয়েছে,(BMA) আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে এবং এলাকার মানুষের মাঝে ‘আস্থা ফিরিয়ে আনতে’ সে এলাকায় যৌথ টহল পরিচালনা করা হবে।
বাংলাদেশে অতীতে বিভিন্ন সময় অভিযান পরিচালনার সময় ‘যৌথ বাহিনীর’ ব্যানারে কাজ করা হয়েছে।পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাড়া বাংলাদেশের অন্য এলাকায় স্বাভাবিক সময়ে সেনাবাহিনী এবং পুলিশের সমন্বয়ে যৌথ টহল দেখা যায়নি।তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, কক্সবাজারে কেন যৌথ টহলের প্রয়োজন হচ্ছে?পুলিশের রাশ টেনে ধরা?বিভিন্ন কারণে গত কয়েক বছরে কক্সবাজার বাংলাদেশের জন্য একটি স্পর্শকাতর এলাকা হয়ে উঠেছে।মাদক এবং মানবপাচারের রুট এবং রোহিঙ্গা সংকটের কারণে কক্সবাজার এলাকা নিয়ে বাংলাদেশের সরকারের দুশ্চিন্তাও বেড়েছে।
গত দুই বছরে কক্সবাজার এলাকায় মাদক নির্মূল অভিযানে তথাকথিত ক্রসফায়ারের নামে বহু হত্যাকাণ্ড হয়েছে সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই-এর রিপোর্টে বলা হয়েছে।গণমাধ্যমে ফাঁস হওয়া ডিজিএফআই’র সে রিপোর্ট দেখা যায়, পুলিশের প্রতি এক ধরণের ক্ষোভ রয়েছে।এমন অবস্থায় সেনা কর্মকর্তাদের অনেকেই মনে করেন, পুলিশ যাতে একচ্ছত্রভাবে সবকিছু করতে না পারে সেজন্য সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ টহলের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।বছর তিনেক আগে রোহিঙ্গা সংকট শুরুর পর থেকে কক্সবাজার এলাকায় সামরিক বাহিনীর তৎপরতা বেড়েছে।
রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলার জন্য সরকার সেখানে সেনাবাহিনী মোতায়েন করেছে।জেনারেল মইনুল বলেন, “আসলে এখানে সহজ উপায়ে অর্থ উপার্জনের জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সকলেই এখন চাচ্ছে যে এই বাহিনীটাকে জবাবদিহিতার মধ্যে এনে আরেকটু সুশৃঙ্খল বানানোর জন্য।”
তথ্য সূত্র :বিবিসি বাংলা

লেখাটি শেয়ার করুন 

আপনার মতামত লেখুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো খবর 
© All rights reserved © 2020 ChandinaOnlineExplorer.com
Theme Customized BY LatestNews