1. zobairahmed461@gmail.com : Zobair : Zobair Ahammad
  2. Jalalhossen555@gmail.com : Jalal Hossen : Jalal Hossen
  3. khorshed.eco@gmail.com : Khorshed Alom : Khorshed Alom
  4. hossaintnt@live.com : Shah Sumon : Shah Sumon
May 19, 2022, 8:40 pm
Title :
২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২২ রাতউবি’র প্রাক্তন  ছাত্র সংসদের আহ্বায়ক কমিটির পুনর্গঠন করা হবে বঙ্গবন্ধুর প্রজ্ঞাময় রাজনীতির কল্যাণে বাঙালি জাতি রাষ্ট্রের উদ্ভব : ড.কলিমউল্লাহ সভাপতি আল আমিন সাধারণ সম্পাদক আবদুল গাফফার স্বাধীনতা ব্যাংকার্স পরিষদ কুমিল্লা ভিপি জায়েদ,সদস্য সুব্রত, তানভীর ও খোরশেদ স্বাধীনতা ব্যাংকার্স পরিষদ কুমিল্লা পাঁচ মসজিদ ভিত্তিক  কামারখোলা খানকায় ই ওয়াজেদিয়া আতিকিয়ার নতুন পরিচালনা পর্ষদ দেবিদ্বার ও বুড়িচং উপজেলায় আজ চলছে ইউপি নির্বাচন চান্দিনায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ড একটি সফল রেস্তোরাঁ ব্যাবসার নয়টি মূল বৈশিষ্ট্য চান্দিনার কামারখোলাতে টমেটোর বাম্পার ফলন দামে খুশি কৃষক নবাগত জিএম মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির চৌধুরী’র চান্দিনা জনতা ব্যাংক পরিদর্শন

প্রেমের সম্পর্কে আইনত বৈধতাই বিবাহ

জিসান তাসফিক
  • আপডেট সময়: Tuesday, September 15, 2020,
  • 191 বার পড়া হয়েছে 
Relationship_love_story
Relationship & Law
মানুষ সামাজিক জীব। একবদ্ধ হয়ে বসবাস করে। ফলে পরস্পরের সাথে সামাজিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। মানুষের সাথে মানুষের নানাভাবে সম্পর্ক হয়। রক্তের সম্পর্ক, আত্মীয়তার সম্পর্ক, রাজনৈতিক, ব্যবসায়িক, বন্ধুত্বের কিংবা প্রেমের সম্পর্ক। সামাজিক সম্পর্কের মধ্যে কিছু সম্পর্ক বৈধ হয়, কিছু সম্পর্ক বৈধ-অবৈধ কোনটাই নয়, আবার কিছু সম্পর্ক অবৈধ হয় । বৈবাহিক সম্পর্ক হলো সামাজিক ভাবে, আইনত ও ধর্মীয় ভাবে বৈধ। আবার প্রেমের সম্পর্ক কিছু ক্ষেত্রে অবৈধ আবার কিছু ক্ষেত্রে আইনত কোনো সংজ্ঞায়নই নেই।
একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী ও পুরুষ বৈবাহিক ভাবে পরিবার স্থাপনের লক্ষে যে সম্পর্কে আবদ্ধ হয় সেটা বিবাহ। এর মাধ্যমে উভয় তার প্রয়োজনীয় সকল চাহিদা মিটিয়ে থাকে। কিন্তু প্রেমের মাধ্যমে যে সম্পর্ক হয় তার ভিন্ন ভিন্ন উদ্দেশ্য থাকে। কেউ জৈবিক চাহিদা মেটানোর জন্য, কেউ অবসর সময় কাটানোর জন্য, কারও ইচ্ছা থাকে প্রতারণা করার, আবারও কেউ ভবিষ্যতে বিবাহে আবদ্ধ হবে এই উদ্দেশ্য প্রেমে জরিয়ে পরে।
এসকল প্রেমের সম্পর্ক আইনত ভিত্তিহীন। কারণ এসব মৌখিকভাবে হয়ে থাকে এবং অচিরেই প্রত্যাখ্যান করা যায়। এক্ষেত্রে প্রতারণার স্বীকার হলে আইনত কোন প্রতিকার নেই। এক পক্ষ যদি অস্বীকার করে, এরূপ সম্পর্ক হয়নি কিংবা এমন কোনো কথা দেওয়াও হয়নি অথবা যদি দাবি করে শুধুমাত্র বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক হয়েছিল যার কারণে একসাথে চলা-ফেরা কিন্তু প্রেমে সম্পর্ক হয়নি। তাহলে তা প্রমাণ করা প্রায় অসম্ভব। তবে বৈবাহিক সম্পর্ক সম্পূর্ণ ভিন্ন। কেননা এখানে লিখিত চুক্তি থাকে, রেজিস্ট্রেশন থাকে এবং সাক্ষী থাকে যার ফলে কেউ অস্বীকার করতে পারেনা।
যেকোন ধরনের সম্পর্কে প্রতারণা সংঘটিত হতে পারে। বৈবাহিক সম্পর্কে যেসব প্রতারণা হয়ে থাকে তার আইনত প্রতিকার রয়েছে। প্রেমের সম্পর্ক প্রতারণা হলেও সব সময় যে আইনি প্রতিকার নেই এমন নয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে আইনত অপরাধ আবার কিছু ক্ষেত্রে আইনত প্রতিকার রয়েছে। যেমন কোনো পুরুষ যদি কোনো নারীকে বিয়ের আস্বস্ত করে শারীরিক সম্পর্ক করে প্রতারণা করে তাহলে তা আইনত অপরাধ বলে গণ্য হবে। নারী ও শিশু নির্যাতন আইন ২০০০ এর ৯ (১) ধারা অনুযায়ী উক্ত অপরাধ ধর্ষণ বলে বিবেচিত হবে এবং যার শাস্তি যাবৎজীবন সশ্রম কারাদণ্ড এছাড়া অতিরিক্ত শাস্তি হিসেবে অর্থদণ্ডও হতে পারে। কিন্তু একই ভাবে কোনো পুরুষ প্রতারিত হলে সেক্ষেত্রে আইনত কোনো বিধিবিধান নেই।
পরকীয়া আইনত অপরাধ। পেনাল কোড ১৮৬০ এর ৪৯৭ ধারা অনুযায়ী পরকীয়া একটি ব্যভিচার এবং যে ব্যক্তি কোনো বিবাহিত স্ত্রীর সাথে অপকর্মে লিপ্ত হয় তবে উক্ত ব্যক্তি পাঁচ  বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবে। কিন্তু নারী  অবিবাহিত আর পুরুষ বিবাহিত হলে ওই নারী নারী ও শিশু নির্যাতন আইন ২০০০ এর ৯ (১) ধারা অনুযায়ী প্রতিকার দাবী করতে পারে।
অপ্রাপ্ত বয়স্কদের প্রেমও আইন সম্মত নয়। শিশু আইন ২০১৩ এর ৪ ধারা অনুযায়ী অনুর্ধ্ব ১৮ বছরের সবাই শিশু। অপ্রাপ্ত বয়স্কদের আইনত নাবালক বলা হয় এবং কোনো নাবালক বা নাবালিকা সিদ্ধান্ত নেবার আইনত ক্ষমতা নেই। এদের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষমতা শুধুমাত্র অভিভাবকদের। আবার নারী ও শিশু নির্যাতন ২০০০ আইনের ৯ (১) ধারা অনুযায়ী কোনো নারী, যার বয়স ১৬ এর বেশী নয় তার সাথে কোনো পুরুষ শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করলেই তাও আইনত অপরাধ ও ধর্ষণ বলে গণ্য হবে।
প্রেমকে আইনত ভিত্তি দেওয়া অসম্ভব। ভিত্তি দেওয়া হলে তা আর প্রেম থাকেনা। বিয়েতে রুপান্তরিত হয়। প্রেমের সম্পর্কে আইনত বৈধতা দিতে হলে রাষ্ট্রীয় আইন মতে চুক্তি হতে হবে, সেক্ষেত্রে উভয় পক্ষের সহমত, চুক্তি পত্র, নিবন্ধন এবং সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রয়োজন পরে। বিয়ের সম্পর্কেও এসব শর্ত থাকে। প্রেমের আইনত বৈধতা মানেই বিয়ে। এটিও বাল্যবিবাই নিরোধ আইন ২০১৭ এর ২ ধারা অনুযায়ী হতে হবে। আর ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করলে ইসলামে বিয়ে উপযোগী নারী ও পুরুষের বিয়ে বহির্ভূত প্রেমের সম্পর্ক নিষিদ্ধ এবং যিনা বলে সাব্যস্ত হয়।  কিন্তু ইসলাম কিংবা অন্য ধর্ম অনুযায়ী বিবাহকেই নারী ও পুরুষের সম্পর্কের জন্য বৈধতা করা হয়েছে।

লেখক-
জিসান তাসফিক 
শিক্ষার্থী, আইন বিভাগ,
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় 

লেখাটি শেয়ার করুন 

আপনার মতামত লেখুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো খবর 
© All rights reserved © 2022 ChandinaOnlineExplorer.com
Theme Customized BY LatestNews