1. zobairahmed461@gmail.com : Zobair : Zobair Ahammad
  2. Jalalhossen555@gmail.com : Jalal Hossen : Jalal Hossen
  3. khorshed.eco@gmail.com : Khorshed Alom : Khorshed Alom
  4. hossaintnt@live.com : Shah Sumon : Shah Sumon
May 19, 2022, 1:59 pm
Title :
২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২২ রাতউবি’র প্রাক্তন  ছাত্র সংসদের আহ্বায়ক কমিটির পুনর্গঠন করা হবে বঙ্গবন্ধুর প্রজ্ঞাময় রাজনীতির কল্যাণে বাঙালি জাতি রাষ্ট্রের উদ্ভব : ড.কলিমউল্লাহ সভাপতি আল আমিন সাধারণ সম্পাদক আবদুল গাফফার স্বাধীনতা ব্যাংকার্স পরিষদ কুমিল্লা ভিপি জায়েদ,সদস্য সুব্রত, তানভীর ও খোরশেদ স্বাধীনতা ব্যাংকার্স পরিষদ কুমিল্লা পাঁচ মসজিদ ভিত্তিক  কামারখোলা খানকায় ই ওয়াজেদিয়া আতিকিয়ার নতুন পরিচালনা পর্ষদ দেবিদ্বার ও বুড়িচং উপজেলায় আজ চলছে ইউপি নির্বাচন চান্দিনায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ড একটি সফল রেস্তোরাঁ ব্যাবসার নয়টি মূল বৈশিষ্ট্য চান্দিনার কামারখোলাতে টমেটোর বাম্পার ফলন দামে খুশি কৃষক নবাগত জিএম মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির চৌধুরী’র চান্দিনা জনতা ব্যাংক পরিদর্শন

উইঘুর শিবিরগুলোতে যা হচ্ছ

সাইফুল ইসলাম রুবাইয়াত
  • আপডেট সময়: Saturday, July 17, 2021,
  • 99 বার পড়া হয়েছে 

২০১৭ সালের এপিল থেকে ২০ লাখের বেশি উইঘুর ও মুসলিম সংখ্যালঘুদের জোর করে বন্দী শিবিরে রেখেছে নাস্তিক চীন সরকার। দেশটির জিনজিয়াং প্রদেশে প্রায় ৮৫টি বন্দী শিবিরের সন্ধান পাওয়া গেছে। সেখানে উইঘুর ও মুসলিম সংখ্যালঘুদের পাশাপাশি আজারি, উজবেক, কাজাক ও তুর্কমেনের মতো সংখ্যালঘু মানুষদের আটকে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এসব বন্দী শিবির নিয়ে বিভিন্ন দেশ প্রতিবাদ ও অভিযোগ করলেও বরাবরের মতো তা অস্বীকার করে আসছিলো চীন। কিন্তু যখন স্যাটেলাইট ছবিতে জিনজিয়াংয়ের বিভিন্ন শিবিরের নির্মাণ কার্যক্রমের ছবি প্রকাশ পেলো, তখন চীনা সরকার তাদের বক্তব্য পরিবর্তন করে! তারা দাবী করে, ঐসব স্থাপনাগুলো কোনো বন্দী শিবির না। সেগুলো আসলে পুনর্বাসন কেন্দ্র।

এ প্রসঙ্গে স্যাটেলাইট ছবি পর্যালোচনা করা প্রতিষ্ঠান আর্থরাইজ মিডিয়ার সহ-প্রতিষ্ঠাতা এডওয়ার্ড বয়ডা জানান, বিশাল বিশাল ক্যাম্প দেখে আমি বিস্মিত হয়েছি! সেগুলো খুব দ্রুত নির্মাণ করা হয়েছে। খুব বড় জায়গা জুড়ে ক্যাম্পগুলো বিস্তৃত। এক একটি ক্যাম্প ফুটবল মাঠের থেকেও বিশাল। নির্দিষ্ট একটি উপায়ে এসব নির্মাণ করা হচ্ছে। স্যাটেলাইট ছবি বিশ্লেষণ করলে, সেসব উপলব্ধি করা যায়।

এসব ক্যাম্পে ঠিক কী হয়, সে সম্পর্কে বিশ্ব কিছুই জানে না। তবে বিশ্লেষকদের দাবি, সেখানে বন্দীদের ক্ষমতাসীন চীনা কমিউনিস্ট পার্টিকে সমর্থন দিতে বাধ্য করা হয়! জোর করে ইসলাম ধর্ম পরিবর্তন করানো হয়! অনেকেই জোর করে কাজ করানো হয়! এমনও গুজব আছে যে, সেখানে মুসলমানদের শূকর ও মদ খাওয়ানো হচ্ছে! কেউ অনীচ্ছা প্রকাশ করলে, দেয়া হচ্ছে শাস্তি!

জিনজিয়াংয়ে অবস্থানরত একাধিক সাংবাদিকের মতে, চীনা কমিউনিস্ট পার্টির নেতারা সেখানে বসবাসরত উইঘুর মুসলিমদের জীবন অতীষ্ট করে তুলেছে! তারা উইঘুরদের বাড়ীঘর দখল করছে। সন্তানদের ইসলামী নামকরণ করতে দিচ্ছে না। এমনকি ইসলামী শরিয়া মোতাবেক হালাল খাবার সরবরাহ করতেও মানুষের অনেক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

চীনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্যতম কাজাখ। এ সম্প্রদায়ের একজন ওমির বেকালি। তিনি জানান, ক্যাম্পে বন্দী ছিলেন তিনি। তাকে ইসলাম ধর্ম পরিবর্তন করতে জোর করা হয়েছে। ক্ষমতাসীন চীনা পার্টিকে সমর্থন ও চীনা জাতীয়তাবাদে বিশ্বাস করা সেখানে বাধ্যতামূলক ছিলো। ক্যাম্পগুলোতে মনস্তাত্বিতক চাপ অনেক বেশি। সেখানে চিন্তাশক্তির সাথে মানুষের সংঘর্ষ করতে হয়। চিন্তার পরিবর্তন না করতে পারলে, বিপদ বাড়বেই।

এছাড়া ক্যাম্পে তিনি অসংখ্য নারী যৌন নির্যাতনের বিষয়ে সামনে এনেছেন। তাদের অনেককেই জোর করে গর্ভপাত করানো হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সুত্র: ইত্তেফাক।

লেখাটি শেয়ার করুন 

আপনার মতামত লেখুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো খবর 
© All rights reserved © 2022 ChandinaOnlineExplorer.com
Theme Customized BY LatestNews